নাটোরের গুরুদাসপুরে পারিবারিক কলহের জেরে ছোটভাইয়ের স্ত্রী-দুই ছেলেকে পিটিয়ে বাড়িঘর ভাংচুর ও জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে সহদর কাজিমুদ্দিন মোল্লার বিরুদ্ধে। শুক্রবার (৯ মে) সকালে উপজেলার বিয়াঘাট ইউয়িনের দুর্গাপুর মধ্যপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওইদিনই ভুক্তভোগী গাজিবুর মোল্লা (৪৮) গুরুদাসপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুর্গাপুর মধ্যপাড়া গ্রামের মরহুম জমির উদ্দিন মোল্লার মেঝ ছেলে কাজিমুদ্দিন (৬৫) ও ছোটভাই গাজিবুর মোল্লার পরিবারের মধ্যে বসতবাড়ির জায়গা নিয়ে বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক পরিচয়ধারী মারুফ হোসেনের নেতৃত্বে কাজিমুদ্দিন সংঘবদ্ধভাবে গাজিবুরের বাড়িতে হামলা চালায়। এতে গাজিবুরের শয়নঘর, রান্নাঘর, টিউবওয়েল ও টয়লেট ভাংচুর করে জোরপূর্বক ৩ শতক জায়গা দখল করেন কাজিমুদ্দিন। প্রতিবাদ করায় হামলার শিকার গাজিবুরের স্ত্রী উম্মে সালমা (৪৫), বড় ছেলে শামীম আহম্মেদ (২১) ও ছোট ছেলে আকাশ (১৬) আহত হন। তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন।
এদিকে মারধরের পরেও গাজিবুরের বসতবাড়িতে অবস্থান করছে কাজিমুদ্দিন ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী। যার ফলে নিজের বসতভিটায় ফিরতে পারছেন না গাজিবুর ও তারে পরিবার।
ভুক্তভোগী গাজিবুর মোল্লার ভাতিজা শোভন আহম্মেদ বলেন, অন্যায়ভাবে ছোট চাচা গাজিবুরের বাড়িঘর ভাংচুর করে ৩ শতক জায়গা দখল করেছেন মেঝ চাচা কাজিমুদ্দিন। বিষয়টি নিরসনে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
অভিযুক্ত কাজিমুদ্দিন মোল্লা বলেন, কাউকে মারধর করা হয়নি। শুধু গাজিবুরের টিউবওয়েল সরিয়ে রাস্তা বের করা হয়েছে। মারধর ও ভাংচুরের অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।
গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসমাউল হক জানান, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।