ঢাকা
০৭ জুলাই ২০২৬
Advertise with us

ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে তরুণদের ‘কমফোর্ট জোন’ থেকে বের হতে হবে

অপূর্ব সরকার অপু
শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬   ৮৩ বার পঠিত
ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে তরুণদের ‘কমফোর্ট জোন’ থেকে বের হতে হবে

প্রখ্যাত কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের একটি লেখায় পড়েছিলাম যে, তাঁর ছোট ভাই আহসান হাবীব (কার্টুনিস্ট ও রম্যলেখক) খাওয়ার অসুবিধা হবে বলে, ঢাকার বাইরে একটি বড় চাকরি ছেড়েছিলেন। আসলে তিনি ( আহসান হাবীব ) তার আরামের জায়গা থেকে বের হতে চাননি। মূলকথা আমরা কম-বেশি সবাই আরাম-আয়েশে থাকতে পছন্দ করি। নিজের পরিচিত জায়গার বাইরে যেতে চাইনা। আর এটাই হলো ‘কমফোর্ট জোন’। কমফোর্ট জোন মানে একটি গন্ডির মধ্যে থেকে আরাম, আয়েশে জীবনযাপন করা।
আর এ কমফোর্ট জোন এতোটাই খারাপ যে, এটা মানুষের মস্তিষ্ককে নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ করে রাখে। ফলশ্রুতিতে সৃজনশীলতা কমে যায়। তখন সাধারণ একটা কাজ করতে ভয় লাগে। তখন মনে হয় অন্যেরা কী যে মনে করে! আর কমফোর্ট জোন এ থাকলে আতœবিশ্বাসের বড্ড অভাব দেখা দেয়। আর এ কারনেই তরুণসমাজ ও ছাত্রসমাজ পিছিয়ে যাচ্ছে , তারা ঝুকি নিতে ভয় পায়। এ সমস্যা থেকে বের হতে কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে:
এক.
প্র্রযুক্তি বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে হবে (যেমন এ আই)। আন্তর্জাতিক যোগাযোগের দক্ষতা অর্জন করতে হবে। ভূ-রাজনীতি, অর্থনীতি সম্পর্কে খোজঁ রাখতে হবে।
দুই.
নিজের সীমা প্রসারিত করা যেমন : ঘুরতে যাওয়া। যার ফলে নানা জায়গা সমন্ধে ধারণা হবে এবং নিজের জ্ঞানের স্ফূরণ ঘটবে।
তিন.
সমস্যার সম্মুখিন হওয়ার ফলে আতœবিশ্বাস বাড়বে । কাজ করতে গেলে নানারকম ভুল হবেই আর ভুল থেকেইতো শিক্ষাগ্রহন করতে হয়। বিভিন্ন বিষয় জানার ফলে আস্তে আস্তে ভয় দূরীভূত হবে।
আমাদের দেশে তরুণদের উন্নতি উপরোক্ত বিষয়গুলোকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিতে হবে। তখন তরুণদের মাঝে উচ্চআকঙ্খা তৈরি হবে নিশ্চতভাবে। ফলে ক্যারিয়ার তৈরির তাগিদ অনুভূত হওয়ার দারুণ লক্ষ্য অর্জিত হবে। হয়তো “কমফোর্ট জোন ” এ থাকলে যা স্বপ্নের মতো মনে হতো। এ বিষয়গুলো যখন অর্জিত হবে তখন দেশ ও জাতির উন্নতি অনিবার্য।
– অপূর্ব সরকার অপু
(হিসাব রক্ষন কর্মকর্তা)

SHARE NOW
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us
Archive Calendar
Su Mo Tu We Th Fr Sa