ঢাকা
০৭ জুলাই ২০২৬
Advertise with us

যৌতুক লোভী গুরুদাসপুরের ব্যাংক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে স্ত্রীর মামলা

স্টাফ রিপোর্টার..
বৃহস্পতিবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৫   ১৮৮ বার পঠিত
যৌতুক লোভী গুরুদাসপুরের ব্যাংক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে স্ত্রীর মামলা

নাটোরের গুরুদাসপুরের কামরুল ইসলাম নামের এক ব্যাংক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যৌতুক ও নারী নির্যাতন মামলা করেছেন তার তৃতীয় স্ত্রী মাহফুজা চৌধুরী। কামরুল উপজেলার মশিন্দা কান্দিপাড়া গ্রামের সোলাইমান আলীর ছেলে ও রুপালী ব্যাংক কর্মকর্তা।
অভিযোগ ও ভুক্তোভোগী সুত্রে জানা গেছে,পারিবারিকভাবে ২০২০ সালে অভিযুক্ত কামরুলের সাথে ৫ লাখ টাকা দেনমোহরে বিবাহ হয় বিসিএস শিক্ষা কর্মকর্তা মাহফুজার। বিবাহের পর থেকেই স্ত্রী ও তার পরিবারের কাছ থেকে নানা অজুহাতে অর্থ হাতিয়ে নিতে থাকে কামরুল। একসময় বুঝতে পেরে স্ত্রী মাহফুজা ও তার পরিবার টাকা দেয়া বন্ধ করে দিলে কামরুল মাহফুজাকে শারীরিক নির্যাতন শুরু করে।
এর মধ্যে তাদের পরিবারে একটিপুত্র সন্তান জন্ম নেয়। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে কামরুলের শারীরিক নির্যাতনে অসুস্থ্য হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাও নিতে হয়েছে মাহফুজাকে। অর্থলোভী কামরুল স্ত্রী মাহফুজাকে শারিরীক নির্যাতন করে বাবার বাড়িতে তাড়িয়ে দিয়ে যোগাযোগ বন্ধ রেখেছে। ন্যায়বিচার পেতে মাহফুজা গত ১৭ ও ২৮ সেপ্টেম্বর সিলেট মেট্রোপলিটন আদালতে দুটি মামলা করেন (মামলা নম্বর ৩২১ ও ১৩০০) করেছেন।
মাহফুজা চৌধুরী জানান,যৌতুক ও নারী লোভী কামরুল এর আগে খালাতো বোন রাশিদাকে বিয়ে করে ডিভোর্স দেন। প্রথম স্ত্রী রাশিদার মামলায় জেলও খাটেন তিনি। পরে টাঙ্গাইলে মাহফুজা সুলতানা শিউলীকে বিবাহ করে অর্থ হাতিয়ে নিয়ে তাকেও ডিভোর্স দেন। শিউলীর মামলা পরে পারিবারিকভাবে নির্ধারিত অর্থের বিনিময়ে মিমাংসা হয়। বিয়ের পরে সবকিছু মেনে নিয়েই তিনি সংসার করছি। আমার একটি সস্তান আছে। আমি স্বামী স্ত্রীর অধিকার নিয়ে সংসার করতে চাই।
ব্যাংক কর্মকর্তা কমরুল ইসলাম মুঠোফোনে জানান, আদালতের মাধ্যমে উভয়পক্ষের অভিভাবকদের নিয়ে সমঝোতার চেষ্টা হয়। সেখানে সংসার করতে স্ত্রী এককালীন ৩০ লাখ ও প্রতিমাসে ৪০/৪৫ হাজার টাকা হাত খরচ দাবী করে। যা দেয়া আমার পক্ষে সম্ভব না। আমার প্রমোশন আটকানোর চেষ্টা,সন্ত্রাসী দিয়ে মেরে ফেলার চেষ্টা করেছে সে। এমন দুস্কৃতিকারী স্ত্রী নিয়ে সংসার হয়না।
বক্তব্য চাইলে অভিযুক্ত কামরুল সংবাদ না করতে বলেন। সংবাদ হলে প্রতিবেদককে মামলা ও দেখে নেয়ার হুমকিও দেন তিনি।
মশিন্দা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুল বারী জানান,বেশকিছুদিন আগে সিলেটের বর্তমান স্ত্রী মুঠোফোনে বিষয়টি আমাকে অবগত করেছিলেন,পরে আর যোগাযোগ করেননি। যেহেতু বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে সেখানে তার কিছু করার নেই।

SHARE NOW
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us
Archive Calendar
Su Mo Tu We Th Fr Sa