ঢাকা
০৭ জুলাই ২০২৬
Advertise with us

উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে আমার ভাবনা..

এস এম শহিদুল ইসলাম (সোহেল)
বুধবার, ২২ মে ২০২৪   ১৬১ বার পঠিত
উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে আমার ভাবনা..

৬ষ্ট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলায় চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছেন আমার ছোট ফুপা (জামাই) সরকার এমদাদুল হক মোহাম্মদ আলী। তিনি ও তার পরিবার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনের অধিকারী। মোহাম্মদ আলী ও তার পিতা মতি সরকার মিলে প্রায় ৫০ বছর মশিন্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন।

মোহাম্মদ আলী গুরুদাসপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। তিনি টানা ২০ বছর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। ছিলেন নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সম্পাদক। বর্তমানে তিনি জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা। উত্তরাধিকার সূত্রেই তিনি রাজনীতি,সম্পদ ও সম্পত্তির মালিক।
তাঁর সহধর্মীনি (আমার ছোট ফুফু) বেগম রোকেয়া ধারাবারিষা গ্রামের সম্ভান্ত আলহাজ্ব ওমর আলী সরকার সন্তান। বড় ভাই (আমার পিতা) জনাব মোঃ আবুল কাশেম সরকার (নাটোর-৪ আসনের সাবেক এমপি)।
মোহাম্মদ আলী ও বেগম রোকেয়া দম্পতির ৩ সন্তান। ছেলে রাশেদ উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক, মেয়ে মুক্তি পেট্রো বাংলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ছোট ছেলে রনি ব্যাংক কর্মকর্তা।
উপরের কথাগুলো বলার কারন- আমি বিশ্বাস করি একজন মানুষকে বুঝতে, জানতে ও মূল্যায়নে তার পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক বিষয় সম্পর্কে অবগত হতে হয়।
আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অন্য দুজন প্রার্থী হলেন- উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমার ও আমার পরিবারের অত্যন্ত নিকটজন স্নেহের আতিয়ার রহমান বাঁধন। সে দীর্ঘ সময়ধরে সামাজিক কার্যক্রমের সাথে যুক্ত এবং তরুণদের মধ্যে যথেষ্ট জনপ্রিয়। নির্বাচনে তিনি যোগ্য প্রার্থী এটা বলতে দ্বীধা নেই।
আরেক প্রার্থী আহম্মদ আলী মোল্লা নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধক্ষ্য, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি। অল্প সময়ে তিনি ও তার স্ত্রী কনা আপা যথেষ্ট প্রভাব প্রতিপত্তি ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন এবং নিজেদের সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন। তিনিও নির্বাচনের দৌড়ে পিছিয়ে নেই।

তবে দুঃখজনক হলেও সত্যি, উপজেলা পরিষদ খুব বেশি কার্যকর না। এই পদে বা চেয়ার থেকে সমাজে খুব বেশি অবদান রাখা বিস্তর কাজ করা কিংবা জনগনের উপকার করার সুযোগ সীমিত। কিন্তু এই চেয়ারটি উপজেলাবাসীর জন্য সম্মানের। এর ভাড় অনেক, যা সবার বহন করার ক্ষমতা বা যোগ্যতা থাকেনা। সাধারণ মানুষ ইতিমধ্যে এ বিষয় সম্পর্কে যথেষ্ট অবগত।

পরিশেষে আমি উপজেলাবাসীর উদ্দেশ্যে বলতে চাই, ২৯শে মে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নিজের বিবেককে প্রশ্ন করলে বিবেক উত্তর দেবে যোগ্য প্রার্থী সরকার এমদাদুল হক মোহাম্মাদ আলী। ভোট আপনার পবিত্র আমানত। আমি আমার প্রিয় উপজেলাবাসীর সুরে সুর মিলিয়ে বলতে চাই, ২৯শে “মে” সারাদিন মোটরসাইকেল প্রতিকে ভোট দিন। গুরুদাসপুর উপজেলা বাসির মার্কা মোটরসাইকেল মার্কা (আমি মনে করি; শেষ বয়সে এই সম্মান তার প্রাপ্য, হয়তো এটাই তার শেষ নির্বাচন) এর প্রয়োগ একজন যোগ্য ব্যক্তির প্রাপ্য..
-এস এম শহিদুল ইসলাম (সোহেল)
অ্যাডভোকেট,বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।

SHARE NOW
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us
Archive Calendar
Su Mo Tu We Th Fr Sa