ঢাকা
২৪ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
তথ্যবিভ্রাট সংবাদের প্রতিবাদে ডা.জাহেদুলের সংবাদ সম্মেলন গুরুদাসপুরে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত নেতাকে দায়মুক্ত করতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন গুরুদাসপুরে আগুনে পুড়লো পেট্রোল পাম্প,দোকান ও বসতবাড়ি সংগঠন গতিশীল না থাকলে স্থানীয় নির্বাচনে বিজয় কঠিন হবে-সোহাগ গুরুদাসপুর পৌরসভার ৪৪ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা “দল সুসংঘটিত থাকলে বারবার সরকার ক্ষমতায় আসবে”-সোহাগ ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে তরুণদের ‘কমফোর্ট জোন’ থেকে বের হতে হবে প্রত্যন্ত অঞ্চলে আলো ছড়াচ্ছে ‘আল মদিনা’ পাঠাগার গুরুদাসপুরে মসজিদের জায়গা দখলে রেখেছেন আইনজীবী মুসল্লীদের দুর্ভোগ
Advertise with us

গুরুদাসপুরে ছেলেরা জমিজমা লিখে নিয়ে মা-বাবাকে রাখেন গোয়াল ঘরে

স্টাফ রিপোর্টার..
সোমবার, ০৭ জুলাই ২০২৫   ১২২ বার পঠিত
গুরুদাসপুরে ছেলেরা জমিজমা লিখে নিয়ে মা-বাবাকে রাখেন গোয়াল ঘরে

দুই ছেলে চার মেয়ে নিয়ে একসময় সুখের সংসার ছিলো ময়দান আলীর (৮০)। কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করলেও প্রভাবশালী গার্হস্থ্য ছিলেন তিনি। বয়সের ভারে নুঁইয়ে পরা শরীরে বাসা বেঁধেছে নানা অসুখ। নানা কারণে ময়দান ও তার স্ত্রী জাহেদা বেগম সন্তানদের জমিজমা লিখে দিতে বাধ্য হন। কিন্তু ছেলেদের পাকা ঘরে স্থান হয়নি তাঁদের। শেষ বয়সে অপরিচ্ছন্ন গোয়ালঘরেই তাদের আশ্রয় হয়েছে।
ময়দান আলী নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার বিয়াঘাট ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা। বড় ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৫৭) উপজেলা ভুমি জরিপ কর্মকর্তা আর ছোট ছেলে রবিউল করিম রবি (৫৫) মাছ চাষি। দুজনেরই রয়েছে পাকা বাড়ি। ময়দানের চার মেয়ের অন্যত্র বিয়ে হলেও বাবা-মাকে দেখতে এলে ভাইদের গালমন্দের শিকার হন বলে অভিযোগ রয়েছে।

oppo_1024


সোমবার (৭ জুলাই) সরেজমিনে গিয়ে দেখে গেছে,অপরিচ্ছন্ন বিছানায়, অপরিস্কার দুর্গন্ধযুক্ত গোয়াল ঘরে রাখা চৌকির এককোনে শুয়ে আছেন ময়দান আলী। একপাশে রয়েছে খাবারের থালা বাসন অন্য পাশে রয়েছে রান্নার খড়ি ও গোখাদ্য। গোয়াল ঘরে কেনো এমন কথা শুনে চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি তিনি। ময়দানের স্ত্রী জাহেদা ও তারভাই মতিউর রহমান মতি সংবাদকর্মীদের সাথে কথা বলতে গেলে ছোট ছেলে রবিউল করিম রবি দা (দেশীয় অস্ত্র) নিয়ে তেড়ে আসেন।
অসুস্থ্য ময়দান আলী জানান,গোয়াল ঘরেই তিনি ও স্ত্রী জাহেদা থাকেন। গোয়ালে থাকতে কষ্ট হলেও খাবারের অসুবিধা হচ্ছে না।
ময়দানের স্ত্রী জাহেদা বেগম বলেন, ছেলেরা জমিজমা লিখে নেয়ার কারনে মেয়েদের সেবাযতœ থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন তারা। ছোট ছেলে রবি ৫ শতাংশ জমি বেশি নিয়েছে। সেই জমি আমি ফেরৎ চাই।
বড় ছেলে জাহাঙ্গীর আলম মুঠোফোনে জানান,সন্তান হিসাবে মা-বাবার সাধ্যমত দায়িত্ব পালন করে আসছি। ছোটভাই রবি অধিকাংশ জমি লিখে নিয়েছে। তাঁরা ছোট ভাই রবির ঘরে কি অবস্থায় থাকেন তা জানা নেই।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাহমিদা আফরোজ জানান,অভিভাবক রক্ষনাবেক্ষন আইনে প্রতিটি সন্তান তাদের বাবা-মাকে দেখভাল করতে বাধ্য। এর বাত্যয় হয়ে থাকলে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

SHARE NOW
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us
Archive Calendar
Su Mo Tu We Th Fr Sa