ঢাকা
২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
গুরুদাসপুরে হাটের সরকারি জায়গা দখল করে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ জলরঙে আঁকা পর্যটনের নতুন ঠিকানা-চলনবিল প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী,গনির রাজ্যে অনিয়মই নিয়ম গুরুদাসপুরে দেড় শতাধিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানে অর্থ প্রাদান করলো রাশিদ-নিলু ফাউন্ডেশন ভাতিজার জায়গা চাচার জবরদখল মুক্ত করতে গিয়ে মামলা দিয়ে হয়রানীর অভিযোগ স্কুলের ভবন ভেঙ্গে বিক্রি করা সেই প্রধান শিক্ষককে শোকজের পর তদন্ত শুরু গুরুদাসপুরে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু ভ্যাপসা গরম-তীব্র লোডসেডিংয়ে বেড়েছে তালপাখার দাম ও কদর গুরুদাসপুরে প্রতিশ্রুতির আবর্তে কাঁচারাস্তা পাকা হয়নি শতবর্ষেও গুরুদাসপুরে বাস-নছিমন সংঘর্ষে সহদরসহ নিহত-৩ আহত ৪
Advertise with us

প্রত্যন্ত অঞ্চলে আলো ছড়াচ্ছে ‘আল মদিনা’ পাঠাগার

গুরুদাসপুর বার্তা ডেস্ক
শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬   ২৯১ বার পঠিত
প্রত্যন্ত অঞ্চলে আলো ছড়াচ্ছে ‘আল মদিনা’ পাঠাগার

“পড়িলে বই আলোকিত হই না,পড়িলে বই অন্ধকারে রই”-আলো যেমন জাগতিক নিয়মে অন্ধকার দূর করে সবকিছু দৃশ্যমান করে, তেমনি বই মানুষের মনে জ্ঞানের সঞ্চার করে মনের অন্ধকারকে দূর করে| সবকিছুকে উদ্ভাসিত করে চেতনার আলোয়| জ্ঞানের আলো অতীত থেকে ভবিষ্যৎ, কাছে থেকে দূরে, এক প্রান্ত থেকে দূরপ্রান্তে, যুগ থেকে যুগান্তরে জ্ঞানের আলোকে পৌঁছে দেয়| জ্ঞানের স্ফূরণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে পারে একমাত্র বই|

তেমন চেতনা থেকে নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার মকিমপুর নামোপাড়া এলাকায় জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে ‘আল মদিনা’ পাঠাগার| হাতের কাছে এ পাঠাগারের বইগুলো পড়তে পেরে খুশি স্থানীয় সব বয়সী বইপ্রেমিকরা| অনেকে পাঠাগারে বসে জ্ঞান আহরণ করেন, আবার অনেকে বই বাড়িতে নিয়ে পড়ার সুযোগ পাচ্ছেন|২৯ মে শুক্রবার সরেজমিনে পাঠাগারে গিয়ে দেখা গেছে, স্থানীয় শিক্ষিত-চাকুরে সচেতন কিছু যুবকের হাত ধরে ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় আল মদিনা পাঠাগার| ঈদুল আযহা উপলক্ষে ওই প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের নিয়ে ‘ভুক্কিভাত’ নামক রান্নার আয়োজন করে| যেখানে তারা নিজেরা রান্না করে সে খাবার খেয়েছে| পরে বিকালে ঘোড় দৌড়ের আয়োজন করা হয়|
প্রতিষ্টানের সভাপতি স্থপতি মাসুম বিল্লাহ জানান,প্রত্যন্ত অঞ্চলে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতেই তার ˆপত্রিক ১৬ শতাংশ জায়গায় পাঠাগারটি গড়ে তোলা হয়েছে| বর্তমানে সেখানে পাকা ঘরে রাখা হয়েছে প্রায় ৫ শতাধীক বই| যে বই পরে শিক্ষার্থীরা আলোকিত মানুষ হবার ¯^প্ন লালন করছে| গ্রামের অনেক শিক্ষিত তরুণ, যুবক ও বয়স্কসহ প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ জন আসেন বই পড়তে| গ্রামের ছেলে-মেয়েরা মোবাইল গেমস,মাদক ও বিভিন্ন সময় অপচয়মূলক কাজে না জড়িয়ে এখন এখানে বই পড়তে আসছে|
শিশু শিক্ষার্থী আয়শা জানান, এ পাঠাগারে মজার মজার শিশুতোষ বই আছে,ছুটির দিনে কিংবা স্কুল ছুটির পর তারা এখানে এসে বই পরে মজা পান|
গ্রন্থাগারীক রবিউল করিম জানান, এ পাঠাগারের যুবকদের আয়োজনে বৃক্ষ রোপন,রাস্তা সংস্কার,ঈদ সামগ্রী বিতরন,জাতীয় দিবস পালনসহ ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতার আয়োজন করে থাকেন| তিনি প্রতিষ্ঠানটিতে সরকারী সহযোগীতা কামনা করেন|

SHARE NOW
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us
Archive Calendar
Su Mo Tu We Th Fr Sa