ছবি: <--ছবির সোর্স সিলেক্ট করুন-->
“নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলা ওলামা দলের সাধারণ সম্পাদক ও মশিন্দা ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ। তাঁকে ঘিরে গত শনিবার ও রবিবার বেশ ক’টি জাতীয় দৈনিকে ভিন্ন ভিন্ন শিরোনামে রাস্তা সংস্কারের নামে প্রায় দুই লাখ টাকা চাঁদা উত্তোলনের সংবাদ প্রকাশিত হয়। এমন সংবাদের প্রতিবাদ ও নেতাকে দায়মুক্ত করতে এলাকাবাসী সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন করেছে। এলাকাবাসীর দাবী ওই নেতার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্নিত হয়ে প্রতিপক্ষের কেউ তথ্য বিভ্রাট সংবাদ পরিবেশন করিয়েছেন।” রবিবার সকাল ১১ টায় বাহাদুরপাড়া রাস্তায় মানব বন্ধন ও সংবাদ সম্মেলনে ওই দাবী করা হয়।
আয়োজক সুত্র জানায়, শিকারপুর,বাহাদুরপাড়া,সাহাপুর,কালী নগর,বিল কাঠোর,চরপিপলাসহ অন্তত ৮ টি গ্রামকে বিভক্ত করেছে গুমানী নদী। এ কারণে নদীর উত্তরপাড়ের রাস্তা দুটি দীর্ঘ বছরেও পাকা হয়নি। বর্ষায় কাঁদাজলে একাকার হয়ে থাকা এ রাস্তদুটি কমপক্ষে ১০ হাজার মানুষের দূর্ভোগের কারণ হয়ে উঠেছে। খেতের ফসল ঘরে তুলতে পোহাতে হয় অবর্ননীয় দুর্ভোগ। সম্প্রতি দুর্ভোগ লাঘবে স্থানীয় প্রশাসন সাহাপুর হয়ে আলিয়া মাদরাসা পাড়ঘাটের আব্দুল বারী মওলানার বাড়ি পর্যন্ত ১ হাজার ৭৭০ মিটার এবং চরপিপলা থেকে বিলকাঠোর পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৫ কিলো মিটার রাস্তা দুটি পাকা করনের কার্যাদেশ জারি করেন।
এলাকাবাসী দাবী করেন,রাস্তা দুটি পাকা করনের কার্যাদেশ পর্যন্ত তদবির করতে আবুল কালাম আজাদ ছিলেন অগ্রনায়ক। দুর্ভোগ তুলে ধরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজের দৃষ্টিগোচর করতে আজাদ অগ্রনী ভুমিকা পালন করেন। তিনি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে মশিন্দা ইউনিয়নের্য চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষনা দিলে তার প্রতিপক্ষরা আজাদের নামে চাদা আদায়ের মিথ্যাচার করছেন।
মানবন্ধন শেষে সংবাদ সম্মেলনে আবুল কালাম আজাদ ছাড়াও বক্তব্য রাখেন সুপার আব্দুর রহমান,ওয়াজেদ আলী,সাইফুল ইসলাম,নিজাম উদ্দিন,ব্যাংক কর্মকর্তা আশিকুর রহমান,আরিফ মন্ডল,জামাল উদ্দিন মন্ডল,চিকিৎসক আবু সাইদ প্রমুখ।
বাহাদুরপাড়া সমাজ কল্যান সংগঠন সভাপতি আরিফ হোসেন বলেন, রাস্তা দুটি পাকা করনের সংবাদে উৎপুল্ল এলাকাবাসী সংগঠনের মাধ্যমে স্বেচ্ছায় কিছু অর্থ জমা করেন। জমাকৃত ওই অর্থ রাস্তার ভিক্তি স্থাপনের দিন ব্যয় করা হবে। অর্থ সংগ্রহের সাথে আবুল কালামের সংশ্লিষ্ঠতা নেই। তিনি নির্দোষ। একারনে তাকে দায়মুক্ত করতেই মানব বন্ধন ও সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন। তারা দায়ীদের শাস্তিও দাবী করেন।
আবুল কালাম আজাদ বলেন, জনস্বার্থে তিনি স্বেচ্ছায় বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করে প্রকল্পটি অনুমোদনের চেষ্টা করেছেন। এ জন্য তিনি কারও কাছ থেকে কোনো অর্থ গ্রহণ করেননি। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তথ্য বিভ্রাট সংবাদের মিথ্যা ও ভিক্তিহীন দাবী তাঁর।