ঢাকা
২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
গুরুদাসপুরে হাটের সরকারি জায়গা দখল করে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ জলরঙে আঁকা পর্যটনের নতুন ঠিকানা-চলনবিল প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী,গনির রাজ্যে অনিয়মই নিয়ম গুরুদাসপুরে দেড় শতাধিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানে অর্থ প্রাদান করলো রাশিদ-নিলু ফাউন্ডেশন ভাতিজার জায়গা চাচার জবরদখল মুক্ত করতে গিয়ে মামলা দিয়ে হয়রানীর অভিযোগ স্কুলের ভবন ভেঙ্গে বিক্রি করা সেই প্রধান শিক্ষককে শোকজের পর তদন্ত শুরু গুরুদাসপুরে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু ভ্যাপসা গরম-তীব্র লোডসেডিংয়ে বেড়েছে তালপাখার দাম ও কদর গুরুদাসপুরে প্রতিশ্রুতির আবর্তে কাঁচারাস্তা পাকা হয়নি শতবর্ষেও গুরুদাসপুরে বাস-নছিমন সংঘর্ষে সহদরসহ নিহত-৩ আহত ৪
Advertise with us

সিন্ডিকেটের কবজায় পাটের বাজার, দাম বিপর্যয়ে চাষীদের ক্ষোভ

সাজেদুর রহমান সাজ্জাদ
মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬   ২০৬ বার পঠিত
সিন্ডিকেটের কবজায় পাটের বাজার, দাম বিপর্যয়ে চাষীদের ক্ষোভ

হাটে পাট বিক্রির জন্য প্রস্তত করছেন কৃষক  ছবি: -প্রতিনিধি

“ক’দিন আগেও নাটোরের গুরুদাসপুরের হাট-বাজারে প্রতিমন পাট বিক্রি হচ্ছিলো ৪ হাজার ৬০০ থেকে ৫ হাজার টাকা দরে। এখন সেই একই মানের পাট বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ৮০০ টাকা মন দরে। অল্প সময়ের ব্যবধানে প্রতিমন পাটের দাম কমেছে প্রায় ১ হাজার ২০০ টাকা। দাম কমায় চাষীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। তাদের দাবী ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারনে কমেছে পাটের বাজার। এ দামে পাট বিক্রি করলে লোকসান গুনতে হবে তাদের।”

মঙ্গলবার সকালে উপজেলার বড় পাটের মোকাম চাঁচকৈড় বাজারে অন্তত ১০ জন চাষী ক্ষোভ প্রকাশ করে কথা গুলো বলেন।উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয় সুত্রে জানা গেছে, এবছর ৫ হাজার ২৬০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় ৫১০ হেক্টর বেশি। গত বছরে ভালো দাম ও লাভের কারনে চাষীরা এবছর পাট চাষে ঝুকেছিলো। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় ভালো ফলন হলেও দাম নিয়ে দুশ্চিতার ভাজ চাষীদের কপালে। মলিন মুখে তারা জানান, হড়ভাঙা পরিশ্রমের ফসলে চোখ পরেছে সিন্ডিকেটের।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কে.এম রাফিউল ইসলাম বলেন, “পাট বাংলাদেশের অন্যতম অর্থকরী ফসল। গুরুদাসপুরে দেশী তোষা,মেস্তা ও জেআরও জাতের পাটের আবাদ হয়। অনুকুল আবহাওয়া ও নিয়মিত মাঠপর্যায়ে কৃষি বিভাগের পরামর্শে চাষী ভায়েরা ভালো ফলন পাচ্ছেন। তবে দাম নিয়ে তাদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে।

 

গুরুদাসপুর পৌরসদরের আনন্দ নগর মহল্লার কৃষক দেলোয়ার হোসেন,কালাকান্দর গ্রামের কমেদ আলী,শ্রীপুরের মকবুল হোসেনসহ অন্তত ১০ জন পাট চাষী জানান,জমি লীজ,বিজ,সার,চাষ,নিরানী,কাটা,পরিবহন,ধোয়া,শুকানো মিলিয়ে একবিঘা জমিতে পাটচাষে খরচ প্রায় ৩০ হাজার টাকা। প্রতি বিঘায় গড় ফলন ৭ মন। প্রতিমন পাটের বর্তমান বাজার দর সাড়ে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার টাকা। এ দামে বিক্রি করলে তাদের লোকসান গুনতে হবে। তারা সরকারকে বিদেশে পাট রপ্তানীর সুযোগ দিয়ে নায্য দাম নিশ্চিতে অনুরোধ জানান।
চাঁচকৈড় হাটের পাট ব্যবসায়ী হান্নান শেখ,আব্দুল খালেক মোল্লা,আশিক শেখ, আব্দুর রশিদ হাজী,আসাদুল ইসলাম, ইসমাইল হোসেন ঠান্টু,শামিম রেজা জানান, -“সিন্ডিকেট নয়, বিশ^ মন্দা ও যুদ্ধের কারনে এবছর পাটের বাজার কম। যে সব দেশ বাংলাদেশের কাঁচা পাট কেনে তারা এবছর পাট কিনছে না। তারা দেশীয় পাটকলের জন্য যাচাই-বাচাই করে পাট কিনছেন। একারনে পাটের বাজার কম।

SHARE NOW
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us
Archive Calendar
Su Mo Tu We Th Fr Sa