ছবি: <--ছবির সোর্স সিলেক্ট করুন-->
নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত ডা. জাহেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে সম্প্রতি একটি তথ্য বিভ্রাট সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) সকাল ৮ টায় গুরুদাসপুরের একটি ক্লিনিকে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ডা. জাহেদুল ইসলাম বলেন, তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অর্থোপেডিক কনসালটেন্ট। গত ১৯ জুলাই ইত্তেফাক-এ ‘নারীর ভাঙা পায়ের ভেতর ড্রিল মেশিনের ফলা রেখেই সেলাই দিলেন ডাক্তার’ শিরোনামসহ স্থানীয় কিছু পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদগুলো তথ্য বিভ্রাট,অতিরঞ্জিত,উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর। সংবাদে তার ব্যক্তিগত, প্রাতিষ্ঠানিক ও পেশাগত সম্মান ক্ষুন্ন করার সুস্পষ্ট অপচেষ্টা বলে দাবী করা হয়।
ডা.জাহেদুল ইসলাম দাবী করে বলেন, গত ৩ জুন রাতে বনপাড়াস্থ তার ক্লিনিকে আনোয়ারা বেগম নামের ৬০ বছর বয়সী এক নারীর ভাঙা পায়ে অস্ত্রোপচার করা হয়। তাঁর তত্বাবধানে থাকা অবস্থান ওই রোগী সুস্থ্য ছিলেন। বাসায় ফিরে গেলে তার পায়ের ক্ষতস্থান সংক্রমিত হয়। যে কোন রোগী যে কোন সময় বা স্থানে সংক্রমিত হতে পারে এতে ডাক্তারের দায় থাকেনা। সংক্রমন পরবর্তী সময়েও তার তত্ববধানে ওই রোগীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা চলছিলো। হঠাৎ তাকে না জানিয়ে ঢাকার একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে রোগী চিকিৎসা নিতে থাকেন। এতে তার দায় থাকতে পারে না।
তিনি আরো জানান, অস্ত্রপচারের সময় দুর্ঘটনাবসত ড্রিলবিটের একটা ক্ষুদ্র অংশ হাড়ের ভেতরে ভেঙ্গে যায়। বয়স বিবেচনায় তা তাৎক্ষনিক পুন:অপারেশনে বের করা সম্ভব হয়নি যা রোগীর স্বজনদের জানিয়ে বলা হয় যে,পরবর্তী সময়ে প্লেট অপসারনের সময় ড্রিল বিটের অংশ বের করে দেয়া হবে। কিন্ত প্রকাশিত সংবাদে আমাকে অপেশাদার চিকিৎসক,চিকিৎসায় অনীহা,ক্ষতস্থানে পচন,দফায় দফায় অস্ত্রপচার,পা কেটে ফেলার উপক্রম এমন শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। এতে আমার ব্যক্তিগত,পেশাগত এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুন্ন হয়েছে। আমি তথ্য বিভ্রাট সংবাদের প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
এ সময় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মুনজুরুল আলম, মাদার এন্ড চাইল কেয়ার ক্লিনিকের পরিচালক রাশিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিবেদকের বক্তব্য : যথাযথ তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। এতে প্রতিবেদকের নিজস্ব কোনো মতামত নেই।