অভিযুক্ত নবি ফকির বাবা ইউনুছ ফকিরকে দিয়ে দুই মামলা করিয়েচেন ছবি: <--ছবির সোর্স সিলেক্ট করুন-->
নাটোরের গুরুদাসপুরের জমি সংক্রান্ত মিমাংসিত বিয়য়ে একের পর এক মামলা দিয়ে প্রতিপক্ষকে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে ইয়ানুছ ফকিরের বিরুদ্ধে। ইয়ানুছ উপজেলার বামনবাড়িয়া গ্রামের ইসমাইল ফকিরের ছেলে ভুক্তভোগী সাইদ ফকির একই গ্রামের ইয়াকুব ফকিরের ছেলে। সাইদ ও ইয়ানুস সম্পর্কে চাচা-ভাতিজা।
মামলার নথি, এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীর পরিবারের সাথে কথা বলে জানা যায়, উত্তরাধীকার সুত্রে পাওয়া উপজেলার বামনবাড়িয়া মৌজার ৫৮০ নম্বর দাগের ২৫ শতাংশ জমির সাড়ে ১২ শতাংশে আবু সাঈদ ও তার দুই ভাই বসবাস করছেন। সম্প্রতি সাইদ ফকির ওই জায়গায় নতুন ঘর তৈরীর উদ্যোগ নিলে ইয়ানুছ তাতে বাঁধা দেন। পরে দুইজন আমিন ও গ্রামের প্রধানবর্গের উপস্থিতিতে সিমানা নির্ধারণ শেষে যার যার জমি বুঝে নেন। মিমাংসিত জমিতে নির্মানাধীন ঘরের শেষ পর্যায়ে এসে ইয়ানুছ ফকির সাইদ ও তার ভাই-বোনের নাম উল্লেখ করে আদালতে দুটি মামলা করেন। এতে ঘর নির্মান থেমে গেলে পরিবারটি ভাঙ্গা গোয়াল ঘরে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন।
ভুক্তভোগী সাইদ জানান,সম্পর্কে তারা চাচা ভাতিজা। উত্তোরাধীকার সুত্রে পাওয়া ওই জমি একাধিক বার মেপে সিমানা নির্ধারন করা ছিলো। তারপরও ঘর তৈরীর সময় নতুনভাবে মেপে জমি বুঝে নেয়ার পরেও তাদের হয়রানী ও আর্থিক ক্ষতি করতে ইয়ানুছ মামলা দিয়ে তাদের হয়রানী করছে।গ্রামের ষাটোর্ধ রহমত আলী মাষ্টার,আওলা হাজী,গোলাপ হোসেন ও সাবেক ইউপি সদস্য সাজেদুর রহমান জানান,তারা উপস্থিত থেকে সিমানা নির্ধারন করে দিয়েছেন। সাইদ নির্ধারিত জায়গায় ঘর তৈরী করছেন। কিন্তু ইয়ানুছের বাধা সৃষ্টি অন্যায় ও সামাজিকভাবে তাদেরও অপমানের সামিল।অভিযুক্ত ইয়ানুছ ফকির অতীতের সীমানা নির্ধারণ মানেন না দাবী করেন জানান, তিনি প্রতিপক্ষের সীমানা বরাবর ৬ ইঞ্চি জমি পাবেন। সেই জমি বুঝে নিতে আইনের আশ্রয় নিয়েছেন।
প্রতিবেশী এ্যাডভোকেট শরিফুল ইসলাম বলেন,আইনভঙ্গ করে ইয়ানুছ একই বিষয়ে তথ্য গোপন করে দুটি মামলা করেছেন। ৭ ইঞ্চি জায়গা পেতে আদালতে না এসে গ্রাম্য প্রধানদের সিদ্ধান্ত মেনে নেয়া উচিৎ ছিলো।