জমি দখলমুক্ত ও হয়রানী মুলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন ছবি: -প্রতিনিধি
নাটোরের গুরুদাসপুরে ভাতিজার দলিলী সম্পত্তিতে চাচার অবৈধ বসবাস। উচ্ছেদের চেষ্টা করলে উল্টো মামলা দিয়ে হয়রানী করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ভাতিজা উজ্জল সরদারের। উজ্জল উপজেলার চাপিলার আলীপুর গ্রামের সামছুল সরদারের ছেলে চাচা বেলাল হোসেন একই এলাকার নাছের সরদারের ছেলে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ বাড়িতে সংবাদ সমে¥লন করেন ভাতিজা উজ্জল হোসেন। সেখানে দাবী করা হয়- ২০১০ সালের এপ্রিল মাসে তাঁর দাদি ছামেনা বেগম তাঁকে আলীপুর মৌজার হাল ৮১ ও ৯০ নম্বর খতিয়ানের ৩৩৩ নম্বর দাগের ৩৫ শতাংশের কাত সোয়া ৮ শতাংশ ভিটাবাড়ি দলিলমূলে রেজিষ্টি করে দেন। সেই বসতভিটায় তার দাদি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বসবাস করছিলেন। প্রায় ১ বছর আগে দাদি মারা গেলে সেই বসতভিটায় চাচা বেলাল কৌশলে বসবাস শুরু করে ঘর ও জায়গা দখল নিয়েছেন। জায়গা বুঝে পেতে স্থানীয় প্রধানবর্গের গ্রাম্য সালিশ, ইউনিয়নের গ্রাম আদালতের রায়,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার লিখিত নির্দেশনা কোন কিছুর তোয়াক্কা করছেন না চাচা বেলাল হোসেন সরদার এমন অভিযোগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন করিম সরদার,আব্দুল খালেক,ফেরদৌসি বেগম,নাজমা বেগম,নাছিমা বেগম,আছমা বেগম,শহিদুল ইসলাম প্রমুখ। এসময় উজ্জলের স্বজন ছাড়াও এলাকার অন্তত ৫০ জন গন্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে উজ্জল সরদার ও তার স্বজনরা দাবী করেন-গেল ২২ আগষ্ট শনিবার ফুফুরা তাদের পৌত্রিক সম্পত্তি বুঝে নিতে চাইলে চাচা বেলালের সাথে কথা কাটাকাটি ঘটনা ঘটে। পরে তিনি এগিয়ে গেলে চাচা বেলাল হোসেনের সাথে তিনিও বিবাদে জড়িয়ে গেলে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বেলাল ১৭ জনের নামে গুরুদাসপুর থানায় ভাংচুর ও লুটপাটের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করছেন বলে অভিযোগ করা হয়। সে মামলায় ৬ষ্ঠ শ্রেনীর শিক্ষার্থী শাফি এবং বাকপ্রতিবন্ধি জুয়েল রানার নামও রয়েছে।
অভিযুক্ত বেলাল হোসেন মুঠো ফোনে বলেন, তার মা ২০০৮ সালে তাকে জমি লিখে দেন। দুই বছর পরে ভাতিজা উজ্জল হোসেনেকে লিখে দেন বলে শুনেছেন। প্রকৃত জমির মালিক তিনিই। তার জমিতেই তার ভাতিজা উজ্জল অবৈধ হস্তক্ষেপ করছেন।
গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নান বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।