ঢাকা
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
গুরুদাসপুরে হাটের সরকারি জায়গা দখল করে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ জলরঙে আঁকা পর্যটনের নতুন ঠিকানা-চলনবিল প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী,গনির রাজ্যে অনিয়মই নিয়ম গুরুদাসপুরে দেড় শতাধিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানে অর্থ প্রাদান করলো রাশিদ-নিলু ফাউন্ডেশন ভাতিজার জায়গা চাচার জবরদখল মুক্ত করতে গিয়ে মামলা দিয়ে হয়রানীর অভিযোগ স্কুলের ভবন ভেঙ্গে বিক্রি করা সেই প্রধান শিক্ষককে শোকজের পর তদন্ত শুরু গুরুদাসপুরে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু ভ্যাপসা গরম-তীব্র লোডসেডিংয়ে বেড়েছে তালপাখার দাম ও কদর গুরুদাসপুরে প্রতিশ্রুতির আবর্তে কাঁচারাস্তা পাকা হয়নি শতবর্ষেও গুরুদাসপুরে বাস-নছিমন সংঘর্ষে সহদরসহ নিহত-৩ আহত ৪
Advertise with us

গুরুদাসপুরে হাটের সরকারি জায়গা দখল করে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ

সাজেদুর রহমান সাজ্জাদ
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬   ৬০ বার পঠিত
গুরুদাসপুরে হাটের সরকারি জায়গা দখল করে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ

পুরুলিয়া বাজারে সরকারী জায়গা দখল করে প্রভাবশালীদের দোকান ঘর নির্মান  ছবি: -প্রতিনিধি

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার পুরুলিয়া হাটের সরকারি জায়গা দখল করে তিনটি দোকানঘর নির্মাণ করছেন স্থানীয় প্রভাবশালীরা। উপজেলা প্রশাসন নির্মানাধীন একটি ঘর ভেঙ্গে অন্যদের নির্মান সামগ্রী সরিয়ে নিতে বললেও সেগুলো এখনও অপসারণ করা হয়নি।
গত শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ১১ টার দিকে সরোজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের পুরুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের রাস্তার পশ্চিম পাশে মির্জা মাহমুদ নদীর পার ও হাটের সরকারী জায়গায় স্থায়ী স্থাপনা নির্মানের জন্য ইট,বালি,খোয়া এনে স্তুপ করে রাখা হয়েছে। আইন অমান্য করে নজরুল ইসলাম রঞ্জু,কালাম ফকির,বেল্লাল খাঁ নামের স্থানীয় তিন প্রভাবশালী হাটের সরকারী জায়গায় স্থায়ী স্থাপনা নির্মানের জন্য নির্মান সামগ্রীগুলো এনেছেন। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের নজরে এলে সহকারী কমিশনার (ভুমি)’নেতৃত্বে নির্মানাধীন একটি স্থাপনা ভেঙ্গে ফেলা ও বাকিদের নির্মান সামগ্রী সরিয়ে নিতে নির্দেশ দিলেও তারা তা সরিয়ে নেন নি। সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা গা ঢাকা দেন।
হাট বাজার স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা আইন ২০২৩ এর বিধিমালা ২০২৫ এ বলা আছে,হাট ও বাজারের সরকারি খাস জমিতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কোন ধরনের স্থায়ী বা অস্থায়ী স্থাপনা নির্মান করা বা নির্মানের উদ্যোগ নেয়া সম্পুর্ন নিষিদ্ধ। কোন স্থাপনা নির্মান হলে তা সরকারের অনুকুলে বাজেয়াপ্ত হবে। অনুমতি ছাড়া স্থাপনা নির্মানের জন্য অনধিক এক বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড অথবা অনধিক ৫ লাখ টাকা অর্থদন্ড,কিংবা উভয় দন্ডের বিধান রয়েছে।
দুই যুগধরে মোন্তাজ, আজাদ, চাঁদ মোহাম্মদ, সবুজ, দলীয় ক্লাব, বাবলু, আবু সোনার, জয়নাল সরকার, নজরুল সরকারসহ বেশ ক’জন সরকারী জায়গা দখল করে স্থায়ী স্থাপনা নির্মান করে প্রতিমাসে ভাড়া আদায় করছেন। তাদের নিয়ন্ত্রনে রয়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ জায়গা যেখানে অন্তত ২০ টি আধাপাকা দোকান ঘর।
এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, যারা নতুন ঘর নির্মান করছেন কিংবা পুর্ব থেকে যারা দখল করে আছেন তারা এলাকার প্রভাবশালী। পুর্ব দখলকৃতরা ব্যবসায়ীদের কাছে মোটা অংকের সিকিউরিটি নিয়ে দোকান বরাদ্দ দিয়েছেন। আবার প্রতিমাসে ভাড়াও উত্তোলন করছেন। এতে প্রকৃত ক্ষুদ্র ব্যবসায়রা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। তারা দাবী করে বলেন,কৃষকদের উৎপাদিত পন্য বিক্রি ও ব্যবসায়িক স্বার্থে সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হোক। অথবা নিয়ম-নীতি মেলে অবকাঠামো নির্মান হলে সরকার রাজস্ব পাবে।
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের দাবী রোদ-বৃষ্টি হতে রক্ষা পাওয়ার জন তাদের জন্য সরকারীভাবে যেন শেড তৈরী করে দেয়া হয়। তারা টেল দিয়েই সেখানে ব্যবসা করবেন।
সরকারী জায়গা দখল ও স্থাপনা নির্মান প্রসঙ্গে বেল্লাল খাঁ জানান,প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা থাকায় তিনি দোকান নির্মান বন্ধ রেখেছেন। নির্মান সামগ্রীও সরিয়ে নিচ্ছেন।
পুরাতন স্থাপনা মালিক বাবলু, আবু সোনার জানান,তারা ঘর সরিয়ে জায়গা খালি করার কোন নোটিশ বা সরকারী নির্দেশনা পাননি। নোটিশ পেলে সবাই সরিয়ে নিলে তারাও সরিয়ে নেবেন।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) আসাদুল ইসলাম বলেন,একটি নতুন স্থাপনা ভেঙ্গে দেয়া ও আরো দুজনকে নির্মান সামগ্রী সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। অন্যদের স্থাপনা সরিয়ে নিতে নোটিশ দেয়া হচ্ছে।

SHARE NOW
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us
Archive Calendar
Su Mo Tu We Th Fr Sa