ঢাকা
২৮ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
গুরুদাসপুরে সাত ইঞ্চি জমির দাবীতে দুই মামলা-হয়রানীর অভিযোগ তথ্যবিভ্রাট সংবাদের প্রতিবাদে ডা.জাহেদুলের সংবাদ সম্মেলন গুরুদাসপুরে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত নেতাকে দায়মুক্ত করতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন গুরুদাসপুরে আগুনে পুড়লো পেট্রোল পাম্প,দোকান ও বসতবাড়ি সংগঠন গতিশীল না থাকলে স্থানীয় নির্বাচনে বিজয় কঠিন হবে-সোহাগ গুরুদাসপুর পৌরসভার ৪৪ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা “দল সুসংঘটিত থাকলে বারবার সরকার ক্ষমতায় আসবে”-সোহাগ ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে তরুণদের ‘কমফোর্ট জোন’ থেকে বের হতে হবে প্রত্যন্ত অঞ্চলে আলো ছড়াচ্ছে ‘আল মদিনা’ পাঠাগার
Advertise with us

গুরুদাসপুরে যত্রতত্র বিক্রি হচ্ছে এলপি গ্যাস ও পেট্রোল

সাজেদুর রহমান সাজ্জাদ
শনিবার, ১১ জুন ২০২২   ৪৫৮ বার পঠিত
গুরুদাসপুরে যত্রতত্র বিক্রি হচ্ছে এলপি গ্যাস ও পেট্রোল

গুরুদাসপুরে যত্রতত্র বিক্রি হচ্ছে এলপি গ্যাস ও পেট্রোল  

নাটোরের গুরুদাসপুরে নিয়মনীতি না মেনে যত্রতত্র বিক্রি হচ্ছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডার,পেট্রোল-অকটেন ও জ্বালানী তেল। অনুমোদন ছাড়া দাহ্য পদার্থ বিক্রি করা যাবে না এমন বিধিভঙ্গ করে উপজেলা শহরসহ বিভিন্ন গ্রাম-গঞ্জের ছোট-বড় বাজারগুলোতেও দাহ্য পদার্থ বিক্রি হচ্ছে। জনবহুল এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণভাবেই এসব ব্যবসায় দুর্ঘটনার শঙ্কা থাকলেও প্রশাসন রয়েছে নির্বিকার।

সরকারি বিধি মোতাবেক গ্যাস সিলিন্ডার,পেট্রোল,মবিল,জ্বালানি তেল বিক্রির জন্য বিস্ফোরক লাইসেন্স, ফায়ার লাইসেন্স, নো অবজেকশন সার্টিফিকেট,টিআইএন,ট্রেড লাইসেন্স ও অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র রাখার নিয়ম থাকলেও অধিকাংশ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেই নেই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কিংবা অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা। ফলে যেকোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন সচেতন নাগরিক সমাজ।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে,কমপক্ষে পাকা মেঝেসহ আধাপাকা ঘর,অগ্নিনির্বাপক সিলিন্ডার এবং মজবুত ও ঝুঁকিমুক্ত সংরক্ষণাগার থাকতে হবে। শর্তগুলো পূরণ করলেই একজন ব্যবসায়ী দাহ্য পদার্থ বিক্রির যোগ্য বিবেচিত হবেন। লাইসেন্সবিহীন দাহ্য পদার্থ বিক্রি করা যাবে না। কিন্তু আইনের তোয়াক্কা না উপজেলাজুড়ে খোলা বাজারে চলছে এর রমরমা ব্যবসা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার গুরুদাসপুর,চাঁচকৈড় বাজারসহ মুদির দোকান,ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক্স দোকান, ক্রোকারিজ,ফেক্সিলোডের দোকান, মৎস ও পশু খাদ্যের দোকানসহ বিভিন্ন দোকানে এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার ও জ্বালানি তেল বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন সড়কের মোড়ে এক লিটার কিংবা আধা লিটারের প্লাস্টিকের বোতলে পেট্রোল অকটেন বিক্রি করা হচ্ছে।

গুরুদাসপুর নাগরিক কমিটির সভাপতি ইমাম হাছাইন পিন্টু বলেন,বর্তমানে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে বাড়ছে পরিবহনও ও রান্নার কাজে ব্যবহৃত জ্বালানি তেলে এবং সিলিন্ডার গ্যাসের চাহিদাও বাড়ছে বহুগুন। এ সুযোগে আইনের তোয়াক্কা ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই গাড়ির জ্বালানি তেল ও এলপিজি গ্যাসসহ বিভিন্ন দাহ্য পদার্থ বিক্রি হচ্ছে দেদারছে। তিনি বড় ধরনের দুর্ঘনার শঙ্কা জানিয়ে দ্রæত প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহনের আহব্বান জানিয়েছেন।

চাঁচকৈড় বাজারের একজন গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আমরা ছোট ব্যবসায়ী। সারা দিনে দু-একটা সিলিন্ডার বিক্রি করি। এ আইন সম্পর্কে আমাদের কোনো ধারণা নেই। চাহিদা থাকায় ডিলারদের কাছ থেকে গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে এসে বিক্রি করেন বলে তিনি জানান।

উপজেলা ফায়ার ও সিভিল ডিফেন্স কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান,দাহ্য পদার্থ বিক্রির জন্য অবশ্যই লাইসেন্স নিতে হবে,যদিও বিষয়টি দেখভালের দায়িত্ব বিস্ফোরক দপ্তরের। যত্রতত্র পেট্রোল বা দাহ্য পদার্থ বিক্রির কারণে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডসহ প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে। এ ব্যাপারে আমরা সচেতনতামুলক প্রচার অব্যাহত রেখেছি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.তমাল হোসেন বলেন,দাহ্য পদার্থ বিক্রির সুনির্দিষ্ট বিধিমালা আছে। যত্রতত্র বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। এ ধরনের কর্মকান্ডে জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

SHARE NOW
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us
Archive Calendar
Su Mo Tu We Th Fr Sa