ঢাকা
১৬ জুলাই ২০২৬
Advertise with us

আর কত দুর্ভোগ পোহালে কাঁচা সড়ক পাকা হবে?

অধ্যাপক সাজেদুর রহমান সাজ্জাদ
বুধবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২২   ৪৬০ বার পঠিত
আর কত দুর্ভোগ পোহালে কাঁচা সড়ক পাকা হবে?

সামান্য বৃষ্টি হলেই কাঁচা সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পরে। পরিবহন দুরের কথা পায়ে হেটে কাদা পানির দুর্ভোগ মারিয়েই স্কুলে যেতে হয় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের। কৃষকদের ফসল ঘরে তোলা কিংবা উৎপাদিত পন্য বাজারজাত করনের পরিবহন নিয়ে পরতে হয় বিপাকে। ভোটের আশ্বাসেই সিমাবদ্ধ এলাকায় বসবাসকারী মানুষদের পাকা রাস্তার স্বপ্ন। তাদের প্রশ্ন আর কত বিড়ম্বনা পোহালে তাদের কাঁচা সড়কটি পাকা হবে?
নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার বিয়াঘাট ইউনিয়নের রাবার ড্রাম দুর্গাপুর উত্তর পাড়া কবরস্থান হয়ে সিয়ান পাড়া পর্যন্ত কাঁচা রাস্তার চিত্র এটি। এরমধ্যে সাবেক ইউপি সদস্য স্বপন আলীর বাড়ি পর্যন্ত এক কিলো মিটার রাস্তা পায়ে হেটে চলাচলেরও সম্পুর্ন অনুপোযোগী হয়ে পরেছে।
বুধবার (৭ আগষ্ট) সকাল ৯ টার দিকে সরোজমিনে গিয়ে ওই এলাকায় বসবাসকারী অন্তত ১০ জনের সাথে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় ১৮ হাজার ভোটার অধ্যুষিত বিয়াঘাট ইউনিয়ন পরিষদ পুর্ব-পশ্চিম দু’ভাগে বিভক্ত। পশ্চিম অংশে বসবাসকারী বিয়াঘাট,বাবলাতলা,সিয়ান পাড়া, কুমার খালী গ্রামের মানুষদের অন্তত ৬ কিলোমিটার পথ ঘুরে পরিষদে এসে সেবা নিতে হচ্ছে। মাত্র ২ কিলো মিটার দুর্ভোগপ্রবন রাস্তা পাকা হলে পুর্বাংশের যোগেন্দ্রনগর,দুর্গাপুর,জ্ঞানদানগর,সাবগাড়ী,হরদমা,বিল হরিবাড়ির গ্রামের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হবে। দুরত্ব কমবে ৪ কিলো মিটার রাস্তার।

দুর্গাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেনীর শিক্ষার্থী সিনহা জানায়,বৃষ্টি হলে রাস্তায় কাদা জমে তার স্কুলে যেতে কষ্ট হয়। সে জানায় রাস্তা পাকা না হলে স্কুলে যাবো না।
দুর্গাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ফেন্সি খাতুন ও চলনবিল টেকনিক্যাল এ্যান্ড কমার্স কলেজের শিক্ষক নুর হোসেন জানালেন,কাঁদা-পানি আর রাস্তার দুর্ভোগ মারিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্টানে আসতে চায়না। পা পিছলে কাদায় পরে স্কুলব্যাগ,বই,পোষাক নষ্ট হলে স্কুলে না এসে বাসায় ফিরতে হয় শিক্ষার্থীদের। এ কারনে বর্ষা মৌসুমে উপস্থিতির হার কম।
দুর্গাপুর উত্তর পাড়ার বাসিন্দা হোসাইন আলী (২৪) জানান, বর্ষাকালে রাস্তা দিয়ে ভ্যান,ভটভটি, মোটরসাইকেল,বাইসাইকেলসহ কোনো যানবাহনই চলাচল করতে পারে না। ফলে এ এলাকায় উৎপাদিত ফসল ঘরে তোলা,কৃষিপন্য পরিবহন ও বাজারজাত করন,প্রসুতিসহ রোগী ও গবাদিপশু নিয়ে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। দ্রুত পাকাকরণের দাবি তাঁর।
ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান সুজা জানান,রাস্তার দুর্ভোগের বিষয়টি তিনি অবগত। পাকা করণের বিষয়টি অনুমোদন পর্যায়ে রয়েছে। শিঘ্রই সুখবর মিলবে।

SHARE NOW
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us
Archive Calendar
Su Mo Tu We Th Fr Sa