ঢাকা
২৮ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
গুরুদাসপুরে সাত ইঞ্চি জমির দাবীতে দুই মামলা-হয়রানীর অভিযোগ তথ্যবিভ্রাট সংবাদের প্রতিবাদে ডা.জাহেদুলের সংবাদ সম্মেলন গুরুদাসপুরে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত নেতাকে দায়মুক্ত করতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন গুরুদাসপুরে আগুনে পুড়লো পেট্রোল পাম্প,দোকান ও বসতবাড়ি সংগঠন গতিশীল না থাকলে স্থানীয় নির্বাচনে বিজয় কঠিন হবে-সোহাগ গুরুদাসপুর পৌরসভার ৪৪ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা “দল সুসংঘটিত থাকলে বারবার সরকার ক্ষমতায় আসবে”-সোহাগ ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে তরুণদের ‘কমফোর্ট জোন’ থেকে বের হতে হবে প্রত্যন্ত অঞ্চলে আলো ছড়াচ্ছে ‘আল মদিনা’ পাঠাগার
Advertise with us

মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

সাজেদুর রহমান সাজ্জাদ
শনিবার, ১০ জুন ২০২৩   ৫৩৭ বার পঠিত
মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

সরকারীকরণের কথা বলে ফোরকানিয়া মাদ্রাসার শ্রেনী পরিবর্তন করে এবতেদায়ী,জাল দলিলের মাধ্যমে জমি দখল,শিক্ষক নিয়োগের নামে বানিজ্য ও অর্থআত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে সভাপতির বিরুদ্ধে। প্রতিবাদকারী শিক্ষক ও এলাকাবাসীদের নামে মামলা দিয়ে হয়রানীর অভিযোগে করছেন এলাকাবাসী। তিনি স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে পরিবারের লোকদের নিয়োগ দিয়েছেন সেই প্রতিষ্ঠানে। ফোরকানীয়া মাদ্রাসাটির অবস্থান নাটোরের গুরুদাসপুরের হাঁসমারি গ্রামে। অভিযুক্ত সভাপতি সাইফুল ইসলাম একই গ্রামের মৃত সকির উদ্দিনের ছেলে।

শনিবার (১০ জুন) সকাল দশটার দিকে হাঁসমারি ফোরকানিয়া মাদরাসার সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি শেষে বিক্ষোভ পালন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ৫’শর বেশি মানুষ। সাইফুল ইসলাম মাদরাসার শিক্ষকসহ গ্রামের সাধারণ মানুষদের মামলা দিয়ে হয়রানী করছেন বলে অভিযোগ করেন তারা। বিক্ষোভ মানববন্ধন থেকে হয়রানী ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।

এলাকাবাসী জানিয়েছেন,দ্বীনি শিক্ষার কথা চিন্তা করে ১৯৬৮ সালে হাঁসমারি ফোরকানিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করা হয়। মাদরাসার নামে ভিটাসহ প্রায় ৫ বিঘার মতো কৃষি জমিও রয়েছে। সরকারী সুযোগ সুবিধার আশায় ওই প্রতিষ্ঠানে সতন্ত্র এবতেদায়ি শাখা চালু করা হয়। দীর্ঘ সময় ধরে দুই শাখার শিক্ষা কার্যক্রম চলে আসছিল।

স্থানীয় মনিরুল ইসলাম,শফিকুল ইসলাম,আব্দুল মান্নান,মোহাম্মদ আলী,আজিমুদ্দিন,খুরশেদ আলমসহ অন্তত ২০ জন অভিযোগ করেন,বেশ কিছুদিন আগে ফোরকানিয়া ও এবতেদায়ি মাদরাসার দুই শাখার সভাপতি করা হয় স্থানীয় সাইফুল ইসলামকে।তিনি সভাপতি নির্বাচিত হয়ে তার আত্মীয়দের এবতেদায়ি শাখায় চাকুরি দেন। একপর্যায়ে ফোরকানিয়ার কার্যক্রম বন্ধের চাপ দেন এলাকাবাসিকে। ওই প্রস্তাবের বিরোধীদের সাথে সাইফুল ইসলমের দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। দ্বন্দ্বের জেরে এলাকাবাসি সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি পরিবর্তন করে নতুন একজনকে সভাপতির দায়িত্ব দেন।

নতুন সভাপতি আশরাফুল ইসলাম জানান, নানা অনিয়মের কারণে সাইফুল ইসলামকে সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেয় এলাকাবাসী। একারণে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ফোরকানিয়া মাদরাসার ৮.৫ শতাংশ জমি ১৯৭০ সালের তারিখ দেখিয়ে জাল দলিল প্রস্তুত করেন।

খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, হাঁসমারি সতন্ত্র এবতেদায়ি মাদরাসার নামে করা দলিল বলে সাইফুল ইসলাম প্রতিষ্ঠানটি দখলের চেষ্টা করেন চলতি বছরের ১৫ মার্চ। ওইদিন দুইপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সাইফুল ইসলামের পক্ষে স্থানীয় নয়ন পারভেজ বাদী হয়ে গুরুদাসপুর থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় গ্রামের আশরাফুল ইসলাম,মনিরুল ইসলাম,আবদুস সালাম,জাহিদুল ইসলাম, আজিমুদ্দিন,আবদুল মান্নানসহ ২০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। আসামিরা জামিনে রয়েছেন।

ফোরকানিয়া মাদরাসার শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম জানান,মাদরাসার অর্থ আত্মসাত,জমি দখলে নিতে জাল দলিল,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিভক্ত করাসহ বিভিন্ন অনিয়মের কারণে সাইফুল ইসলামকে বাদ দিয়ে বিধি মোতাবেক ফোরকানিয়া ও এবতেদায়ি মাদরাসার সভাপতি পরিবর্তন করে প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি মামলা দিয়ে শিক্ষক ও প্রতিবাদকারীদের হয়রানী করছেন।
তবে অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম সকল অভিযোগ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি বিধিমোতাবেক এখনও ওই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি। নিয়োগ বানিজ্য বা জাল দলিলে প্রতিষ্ঠানের জমি দখলের প্রশ্নই ওঠে না।

SHARE NOW
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us
Archive Calendar
Su Mo Tu We Th Fr Sa