কোরবানীর ঈদে নজর কাড়বে গুরুদাসপুরের ষাড়‘বাবু সাহেব’
পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে নাটোরের গুরুদাসপুরে কোরবানির জন্য ৩২ মণ ওজনের একটি ষাঁড় প্রস্তুত করেছেন সৌখিন খামারি রাজিবুল ইসলাম। ৬ ফুট উচ্চতা ৯ ফিট প্রস্থের সাদা কালো মিশ্র রঙের ষাঁড়টির বয়স প্রায় ৩ বছর। উপজেলার সবচেয়ে বড় এই ষাঁড়টির মালিক ভালোবেসে নাম রেখেছেন বাবু সাহেব। ওই ষাড়টির দাম হাকা হচ্ছে ১২ লাখ টাকা।
সরোজমিনে দেখা গেছে,গুরুদাসপুর পৌরসদরের আনন্দ নগর মহল্লার সৌখিন খামারী মৌলানা রাজিবুল ইসলাম। পেশায় ধর্মীয় শিক্ষক ও আদর্শ কৃষক প্রতি বছর কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে ষাড় গরু বিক্রির জন্য প্রস্তুত করেন। হলস্টাইন ফ্রিজিয়ান জাতের শান্ত সাদা কালো রঙের বিশাল প্রকৃতির এ ষাঁড়টির খাবার সবুজ ঘাস,খড়,দানাদার খাবার ও ফলমুল। প্রতিদিনই তাকে দেখতে ভিড় করছেন উৎসুক জনতা।
খামারী রাজিবুল ইসলাম বলেন,এ ষাড়টি উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের পরামর্শে ক্ষতিকর ফিড কিংবা মোটাতাজা করণ ইনজেকশান ছাড়াই পালন পালন করেছেন তিনি। প্রতিদিন ওর প্রতিপালন ব্যয় গড়ে ১ হাজার টাকা। সন্তানের মতো প্রতিপালিত হওয়া বাবু সাহেবের কাক্ষিত দাম না পেলে ক্ষতিগ্রস্থ হবেন তিনি।
পার্শ্ববতি বিয়াঘাট ইউনিয়নের যোগেন্দ্র নগর থেকে বাবু সাহেবকে দেখতে এসেছেন ফারুক হোসেন ও আরিফ। তারা জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশালাকৃতির ষাড়ের খবর শুনে দেখতে এলাম। আমরা এত বড় ষাঁড় দেখে অবাক হয়েছি,মুগ্ধ হয়েছি । ধারনা করছি এটি জেলার সবথেকে বড় ষাড়। এমন ষাড় পালনে খামারীদের উৎসাহিত ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহযোগীতা করা উচিৎ।
গুরুদাসপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা.গোলাম মোস্তফা বলেন,রাজিবুল একজন সৌখিন খামারী। তার ষাড়টি আকার ও ওজনে উপজেলার সবচেয়ে বড়। তিনি উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরামর্শেই ষাড়টি রক্ষনাবেক্ষণ করেছেন।