নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার উত্তর সাহাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নষ্ট পরিত্যাক্ত ব্রেঞ্চের লোহার কাঠামো চুরির মিথ্যা অপবাদে করা শুক্রবারের সংবাদ সম্মেলন প্রত্যাহার করা করে নেয়া হয়েছে। শনিবার (৮ এপ্রিল) বেলা ২টার দিকে গুরুদাসপুর প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষে ৪ অভিভাবক পুনরায় সাংবাদিক ডেকে আগের দিনের করা সম্মেলন প্রত্যাহার করে নেন।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষে লিখিত বক্তব্যে মো: নান্টু জানান,স্কুল কর্তৃপক্ষ ও আমাদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির ঘটনায় তারা গত শুক্রবার সংবাদ সম্মেলন করেছিলেন। তারা নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে অনুতপ্ত। স্কুলের সুনাম ও সন্তানদের ভবিষ্যৎ কথা বিবেচনায় এনে গতকালের করা সংবাদ সম্মেলন প্রত্যাহার করার ঘোষনা দেয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়।
এ ঘটনায় তারা কারো দ্বারা প্ররোচিত বা ভয়ে ভীত হয় পত্যহার করছেন না বলে জানান। নিজ নিজ উদ্যোগেই তারা ওই সংবাদ সম্মেলন প্রত্যাহার করে নিচ্ছেন বলেও দাবী করেন তারা। এসময় নান্টু ছাড়াও মোছা. বেবি খাতুন,মোছা. সাগরিকা বেগম,আব্দুল ওহাব উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য- গত ৪ এপ্রিল উপজেলার সাহাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নষ্ট পরিত্যাক্ত ব্রেঞ্চের লোহার কাঠামো চুরির অপবাদ তাদের ৭ শিশুকে অভিযুক্ত করা হয়। ওই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ফরিদ শাহ ও প্রধান শিক্ষক সালমা খাতুনের প্রহসনের বিচারে ৭ জন শিশু এবং তাদের বাবা-মা’দের থানা পুলিশ ও জেল হাজতের ভয়ভীতি দেখিয়ে মিথ্যা স্বীকারোক্তি নেয়া হয়।
অভিভাবকদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে প্রহসনের বিচারে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমান করে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেয়া হয়। তারমধ্যে ৩জন অভিভাবকের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা আদায় করা হয়েছে। বাঁকিদের টাকা দিয়ে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এমন অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করে ভুক্তভোগী ৭ শিশুর পরিবার।