গুরুদাসপুরে দেদার বিক্রি হচ্ছে যৌন উত্তেজক ওষুধ ও পানীয়(রুপক ছবি সংগৃহীত))
‘শক্তিবর্ধক’,‘যৌন শক্তি বৃদ্ধিতে কার্যকর’, ‘পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন হারবাল’ ট্যাবলেব বা সিরাপের গায়ে লেখা রয়েছে এ রকম চটকদার কথা।অথচ এসব তথাকথিত ওষুধ নিষিদ্ধ হলেও নাটোরের গুরুদাসপুরে যত্রতত্র বিক্রি হচ্ছে।মানবদেহের ক্ষতিকর এসব পণ্য ফার্মেসীসহ পাড়া-মহল্লার মুদিখানা,মোনহারী,ফাস্টফুড,বেকারী,চা দোকানগুলোতেও মিলছে সহজেই। কিন্তু প্রশাসনের নেই কার্যকরী পদক্ষেপ।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে পৌরসদরের চাঁচকৈড় বাজারের একাধিক ফার্মেসী মালিক জানান, ওষুধের দোকানে যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট ও সিরাপের মধ্যে রয়েছে ভায়াগ্রা,ইনটিমিট,টায়াগ্রা,নিশাত সিলভার,পাওয়ার,কুস্তুরী হারবাল সিরাপ,নাইট পাওয়ার বেশি বিক্রি হয়।নিষিদ্ধ জেনেও অধিক লাভ ও বাজারে চাহিদা থাকায় তারা বিক্রি করছেন।
অন্যদিকে বাজারে ডাবল পাওয়ার,ডাবল হর্স, হর্স পাওয়ার, ম্যান পাওয়ার,সেভেন হর্স,ফিলিংস, পাওয়ার ম্যান, তৃপ্তি পাওয়ার, মাশরুম, ফানটুস জিনসিনসহ বিভিন্ন নামে শক্তিবর্ধক পানীয় অধিকাংশ দোকানে বিক্রি হচ্ছে খোলামেলাভাবেই। ২০ থেকে ৮০ টাকার সহজলভ্য দামের কারনে কিনছে যে যার মতো। স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী তরুন-যুবক এমনকি বয়স্করা এসব নিষিদ্ধ পানীয় পান করছে। এতে সামাজিক অবক্ষয় বাড়ছে আশঙ্কাজনক হারে।
জানাগেছে,চাহিদা ও অধিক লাভজনক বলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের দোকানেও সয়লাব হয়ে গেছে এসব মানহীন পন্যে। ওষুধ প্রশাসনের তদারকি বা কোনো নিয়ন্ত্রণ না থাকায় যৌন শক্তিবর্ধক ওষুধ বা পানীয় পান করে যৌনশক্তি হ্রাসসহ মৃত্যুঝুঁকিতে তরুন যুব সমাজ।
গুরুদাসপুরের অধিকাংশ ফার্মেসী,পান-সিগারেট,মুদি ও কনফেকশনারিতে প্রকাশ্যেই বিক্রি হওয়া দোকানগুলোতে সন্ধ্যা নামলেই ভিড় করে যুবক থেকে মধ্য বয়সীরা। বেশিরভাগ পন্যই অতিমাত্রায় অ্যালকোহল ও ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করে ‘শক্তিবর্ধক’ বলে প্রচার দিয়ে বাজারজাত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও)তমাল হোসেন জানান,ড্রাগ সুপারের সাথে কথা বলে নিষিদ্ধ যৌন উত্তেজক কথিত ওষুধ ও পানীয় বিক্রির ব্যাপারে শিগগিরই জোরালো অভিযান পরিচালনা করা হবে’।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মুজাহিদুল ইসলাম বলেন,এসব ওষুধ সেবনে তাৎক্ষনিকভাবে দৈহিক মিলনে স্থায়িত্ব বাড়ালেও শরীরের রক্তচাপ অনেক বেড়ে যায়। ফলে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ও উচ্চ রক্তচাপের কারণে কিডনির মারাত্মক সমস্যা দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন সেবনে দৃষ্টিশক্তি ও স্মৃতিশক্তি কমে যায়। এতে লিভার ও নার্ভ ক্ষতিগ্রস্থ যাওয়ার আশঙ্কাও থাকে। অনুমোদনহীন কথিত ওই সমস্ত ওষুধ ও পানীয় বন্ধে ওষুধ প্রশাসন কার্যকরী ভুমিকা রাখার কথা। তারা চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ তাদের সহযোগীতা দিতে প্রস্তুত।
বাংলাদেশ সময়: ৩:২৬ অপরাহ্ণ | সোমবার, ২০ জুন ২০২২
gurudaspurbarta.com | MD. Faruk Hossain
| শনি | রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহ | শুক্র |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ২ | ৩ | ৪ | ৫ | ||
| ৭ | ৮ | ৯ | ১০ | ১১ | ১ | |
| ১৩ | ৪ | ১৫ | ১৬ | ১ | ৮ | ১৯ |
| ২০ | ২১ | ২২ | ২৩ | ২৪ | ২৫ | ২৬ |
| ২৭ | ২ | ৯ | ৩০ | |||